-7.2 C
New York
Monday, March 8, 2021
Home Blog

নাসিরে’র ৩২ প্রেমিকা’র ৩০ জন’ই অন্যে’র স্ত্রী

0

দেশের আলোচিত মডেল ও অভিনেত্রী মারিয়া মিম। স্বামী অভিনেতা সিদ্দিকের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর একাধিক ইস্যুতে গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছেন তিনি।

এবার আলোচিত ক্রিকেটার নাসির ইস্যুতে আলোচনায় মিম। নেট দুনিয়ায় তাকে নিয়ে মুখরোচক কথা শোনা যাচ্ছে। এমনটি মিডিয়া পাড়ার অলিতে গলিতেও শোনা যাচ্ছে মিমকে নিয়ে কানকথা।

এদিকে কেউ বলছেন, ক্রিকেটার নাসিরের সঙ্গে প্রেম ছিল মিমের। আবার কেউ বলছেন, নাসির সাবেক প্রেমিকার তালিকায় ছিল মিমের নাম।

এসব কানে যাচ্ছে মিমেরও, এতে বেশ বিরক্তি প্রকাশ করেছেন এ অভিনেত্রী। এ নিয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন মিম।

তিনি লিখেছেন, ‘নাসির নাসির করে আমাকে মেসেজ দেওয়া বন্ধ করেন। কারো পারসোনাল লাইফ নিয়ে পড়ে থাকি না।

ওর ওয়াইফের কাহিনি সত্য না মিথ্যা নিউজ এটা তো জানতে পারছেন। আমার কাছে জানার কি আছে বুঝলাম না।’

স্ট্যাটাসের সূত্র ধরে জানতে চাইলে মারিয়া মিম আজ রবিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আরে সবাই বিরক্ত করে ফেলছে।

নাসিরের হলুদের অনুষ্ঠানে আমি গিয়েছিলাম। তার সঙ্গে ছবিও তুলেছিলাম। সেগুলো পোস্ট করার পর যন্ত্রণা শুরু হয়েছে। সবাই ইনবক্সে বিভিন্ন বিষয় জানতে চাচ্ছে। আমি কি করে জানব, মানুষের ব্যক্তিগত জীবন।’

নাসির সঙ্গে আপনার সম্পর্কটা কি? উত্তরে মারিয়া মিম বলেন, ‘বন্ধু, নাসির আমার বন্ধু। এর বাইরে আর কিছুই না।

আত্ম’হত্যা ক’রবেন হিরো আলম

0

হিরো আলমের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক নার্স। তিনি হিরো আলমের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কুপ্রস্তাব ও অশালীন কথাবার্তার বলার অভিযোগ করেছেন। গত শনিবার রাতে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন শারমিন আখতার সাথী। ওই অভিযোগে বলা হয়, ‘হিরো আলম বগুড়া নামে এক ব্যক্তির ফেসবুক থেকে একাধিকবার আমার ফেসবুকে অশ্লীল ভাষায় বিভিন্ন কু-প্রস্তাব এসেছে।

আমাকে বিভিন্নভাবে সমাজের কাছে হেয় করার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললে আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে হিরো আলম আমাকে ফোন করে প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকেন। এ বিষয়ে সাথী জানান, ‘আমি পেশায় নার্স। মাঝেমধ্যে শখে মিডিয়ায় কাজ করি। কাজের কারণে হিরো আলমের সঙ্গে ফেসবুকে যুক্ত হই।

এরপর থেকেই তিনি কাজের কথা বলে জঘন্য রকম যৌন উত্তেজক কথা বলে আমাকে প্রলুব্ধ করার চেষ্টা করেন, উত্যক্ত করেন। তার কথায় সায় না দিয়ে বিষয়টি সিনিয়রদের জানাই। এরপরেই তা নিয়ে হিরো আলম আমাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছেন। তাই নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে আমি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছি। জানা গেছে, ওই নার্সের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে হাতিরঝিল থানার পুলিশ। তার নিরাপত্তা নিয়ে আশ্বস্ত করে পুলিশ।

প্রসঙ্গত, গত বছরের এপ্রিলেই স্ত্রীর উপর অত্যাচার করার অভিযোগে হিরো আলমকে কারাগারে পাঠিয়েছিল আদালত। যৌতুকের দাবিতে দাম্পত্য অশান্তিতে স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। মাস খানেক পর জেলমুক্ত হয়ে রাজনীতিতে নামের তিনি। কিন্তু ব্যর্থ হয়ে আবরো রুপোলি পর্দায় ফেরেন হিরো আলম।

ঘরে’র কাজে’র জন্য টাকা দিতে হবে স্ত্রীকে

0

ঘরোয়া কাজের জন্য স্ত্রীকে টাকা পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছেন চীনের একটি আদালত। সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী বেইজিংয়ের একটি ডিভোর্স আদালত স্বামীকে টাকা পরিশোধের বিষয়ে নজিরবিহীন এই রায় দেন বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, পাঁচ বছর বিনা বেতনে ঘরের কাজ করার ক্ষতিপূরণ হিসেবে চীনা মুদ্রায় ওই নারীকে ৫০ হাজার ইউয়ান (বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৬ লাখ ৫৩ হাজার টাকা) পরিশোধ করার আদেশ দেন আদালত।
আদালতের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে বিয়ে করেন চেন এবং ওয়াং। পাঁচ বছর সংসার করার পর ২০২০ সালে স্ত্রী ওয়াংকে তালাক দেন স্বামী চেন। তবে তালাকের বিষয়টি মানতে পারছিলেন না স্ত্রী। শেষ পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দাবি করেন তিনি।

স্ত্রীর দাবি, পাঁচ বছরের সংসার জীবনে ঘরের কোনো কাজে তাকে সাহায্য করেননি স্বামী চেন। এমনকি বাচ্চার দেখাশোনার কাজেও স্ত্রীর হাতে হাত মেলাননি তিনি। সন্তান লালন-পালনসহ সংসারের সব কাজ তিনি একাই করেছেন। আর তাই ক্ষতিপূরণ পাওয়া তার অধিকার।
স্ত্রী ওয়াংয়ের এই যুক্তি মেনে নেয় বেইজিংয়ের ফাংশান জেলার আদালত। সাংসারিক জীবনের প্রতি মাসে দুই হাজার ইউয়ান করে দেওয়ার পাশাপাশি এককালীন আরও ৫০ হাজার ইউয়ান দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারক।

মধ্য’রাতে ৪০ টা ঘুমে’র ওষুধ খেয়ে বসে ছিল ব্রিজে’র ওপর

0

‘তোমাকে পেলে হয়ত আমি বেঁচেই যেতাম!’ বা ‘পাওয়া না পাওয়ার এই দুনিয়ায় তোমাকে পেলে হয়ত সব পাওয়া হয়ে যেতো!’ অথবা ‘প্রেমিকার শরীর অন্য কেউ ছোঁয়ার আগে প্রেমিকের মৃত্যু হোক!’ কিংবাব ‘আচ্ছা, যেই ঘরে এক সময় শান্তির ঘুম ঘুমিয়েছি, যেই ঘরের ফ্যানের বাতাসে গায়ের ঘাম শুকিয়েছি, সেই ঘরে সেই ঘরের ফ্যানের সাথে নিজেকে ঝোলানো কি ঠিক হবে? এই ঘর এই রুমে ছোট ভাইকে নিয়ে প্রতিটি রাত কাটিয়েছি, সেই ঘরে কি আদৌ ঝুলে যাওয়া ঠিক হবে? ছোট ভাই যখন এই ঘরে ঘুমাবে, “বারবার মনে হবে বড় ভাই মাথার উপর একটা দড়িতে ঝুলে আছে!’

এমনই সব পোস্ট ছিল অন্তর রাজের। পরিচিত জনদের নিকট তিনি রাজু নামেই পরিচিত ছিলেন। অন্তর রাজের প্রোফাইলে ম্যারিটাল স্ট্যাটাসে ‘ডিভোর্সড’ আপডেটেড ছিল। তবে সোশ্যাল মিডিয়া সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রেমিকার অন্যত্র বিয়ে হয়ে যাওয়ায় হতাশায় ভুগছিলেন অন্তর রাজ।
প্রায় দীর্ঘদিন ধরেই ফেসবুকে আত্মহত্যার পোস্ট দিচ্ছিল অন্তর। সেসবের আপডেট তথ্যও পাওয়া গেছে। ফেসবুকের বন্ধুরা নানাভাবেই বোঝাতে চেষ্টা করেছে তাঁকে। কোনোকোনোবার বুঝেছে অন্তর, ফিরে এসেছে। ফের ফিরে গেছে সেই আত্মহত্যার দিকে।

সর্বশেষ একটি পোস্ট দেখা যায় সে লিখেছে, ‘টেনশন নিয়েন না, যা করার করে ফেলেছি, ৭.৫ এমজি ২০ টা, আর ১০ এমজি ২০ টা, ঘুমাচ্ছি চিরতরে ঘুম। কোনো এক ব্রিজের ওপর বসে আছি। টুপ করে পড়ে যাবো একটু পর।’ এরপরেই হাসির ইমোজি।

জানা যায়, কুড়িগ্রামের ধরলা নদী থেকে অন্তরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গণমাধ্যমে খবর এসেছে, ‘কুড়িগ্রামের ধরলা নদীতে ভেসে ছিল এক অজ্ঞাত যুবকের লাশ। শনিবার সকালে স্থানীয় লোকজন নদীর তীরে লাশ ভেসে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে সকাল ৯টার দিকে লাশটি উদ্ধার করে। উদ্ধার হওয়া ওই যুবকের বয়স আনুমানিক ৩০ বছর। লাশের সঙ্গে থাকা একটি ব্যাগও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আত্মহত্যার ঘোষণা দেওয়ার পূর্বে সর্বশেষ পোস্টে অন্তর লিখেছিলেন দীর্ঘ পোস্ট। ১৮ ফেব্রুয়ারি লেখা ওই পোস্টে লিখেন, ‘কি দিয়ে শুরু করব, বুঝে উঠতে পারছি না। এখন আমাকে অনলাইনে দেখলে নির্ঘাত সবাই গালি গালাজ করবে। কেউ বলবে নাটকবাজ, কেউ বলবে ভাইরাল হতে চাই, কেউ বলবে কাউকে ইমোশনাল ব্লাকমেইল করতে চাচ্ছি, কেউ কুলাঙ্গার বলে গালি দিবে, কেউ বলবে টাকা মেরে খেয়েছি আরো কত কি!

হ্যাঁ আসলেই আমি নাটকবাজ, কারণ আমি বাঁচতে চেয়েছিলাম, কিন্তু কোন ওয়ে পাচ্ছিলাম নাহ! তাই বাধ্য হয়ে নাটক করতে হয়েছে। অবশ্য পুরোপুরি নাটক বলাও চলে নাহ, কারণ প্রতিটা নাটকের সমাপ্তি আমি জীবন দিয়েই শেষ করতে চেয়েছিলাম। পারিনি কিংবা করতে দেয়নি আমাকে। সুইসাইড পোস্ট করেছিলাম যদি এটা দেখে কারো করুণা হয়, কেউ যেনো আমার জীবনটা ভিক্ষা দেয়, কিন্তু হয়নি এমন কিছুই! আমাকে বাচিয়ে রাখার আশা দেখিয়ে ঠকিয়েছে প্রতিনিয়ত! তাই যেতে পারিনি সময় করে, তাই আমি আজ নাটকবাজ।

ভাইরাল? আরে ভাই, ভাইরাল হয়ে কি হবে? যে মানুষ প্রচন্ড মানুষিক যন্ত্রণায় তিলে তিলে শেষ হয়ে যাচ্ছে তাকে এভাবে কেউ ট্রিট করে। খাঁড়াও, মরলে ভূত হয়ে তোমাদের ঘাড় মটকাবো।

হ্যাঁ আমি ইমোশনাল টর্চার করতে চেয়েছিলাম, করেছিও। কেনো করেছি জানেন, কারণ আমি মরতে চাইনি। আমি বাঁচতে চেয়েছিলাম। যে জিনিসটা চেয়েছি, তার জন্য কি এতোটুকুও করা যায় না? জীবন বাঁচানো ফরজ, আমি ফরজ কাজটিই করতে চেয়েছিলাম। যেখানে বেঁচে থাকার একটিই মাত্র৷ পথ সেখানে সেই পথে হাঁটতে চাওয়া কি অপরাধ? কে মরতে চাই বলুন তো!

হ্যাঁ অবশ্যই আমি কুলাঙ্গার। যে মানুষগুলো আমাকে গায়ের রক্ত পানি করে তিলে তিলে গড়ে তুলেছে, তাদের কথা আমি ভাবিনি। যে মানুষগুলো আমার প্রতি বিশ্বাস রেখে বড় করেছে, বড় হয়ে তাদের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য, আমি তাদের কথা ভাবিনি। যে ছোট ভাইটা, আমার এসব পাগলামী দেখে কেদে চোখ ভাসিয়েছে, তার চোখের জলের দাম আমি দিতে পারিনি। আমি তো কুলাঙ্গারই। কিন্তু কাউকে তিলে তিলে কষ্ট না দিয়ে একবারেই সব শেষ করে দেওয়াটা কি বেটার অপশন নাহ। প্রিয়জনদের সামনে ধুকে ধুকে মরার কষ্টটা না দিয়ে একবারেই সব শেষ করে দিলাম। বছর ধরে না কেঁদে একবারই কাদুক।
চলার পথে আর্থিক লেনদেন হয়েই থাকে। দু একজন পাওয়ানাদার, দেনাদার থেকেই যায়। আমার কাছেও দু একজন পাবে, আমিও পাঁচ-ছয় জন থেকে পাবো। সব কিছু শেষ করেই যেতে চেয়েছিলাম, পারিনি। কারণ এত কষ্টের মাঝে এসব মাথায় ঢুকাতে পারিনি। সবাইকে শোধ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছি। সময় মত পেয়ে যাবেন। আর যদি না পান, তাহলে মাফ করে দিয়েন। আমার শরীরে মাংস বেশি নেই যে আখিরাতে শোধ করে নিবেন। লস হবে আপনাদের!

এগুলো আমার আত্মসমর্পণ করার চেষ্টা মাত্র। যারা এমন ভাবেন তারা যদি এসব শোনার পরও খুশি না হোন, তাহলে আমার লাশকে আবার ফাসিতে ঝুলায়েন। শাস্তি দিয়েন আমাকে।

এই পোস্টটা যখন পড়ছেন, তখন হয়ত আমার ডেড বডিতে পচন শুরু হয়েছে কিংবা কোন এক লাশ কাটা ঘরে লাশ সনাক্ত না হওয়ায় পড়ে আছে বেওয়ারিশ হিসাবে দাফনের জন্য। আমি জানি আমি চলে যাওয়াতে কারো বাল ছেড়া যাবে না। গেলে আমার ফ্যামিলিরই যাবে। বাড়ির বড় ছেলে। প্রতিবেশিদের হাজার কথা শুনতে হবে। আমি সরি মা, আমি সরি বাবা, আমি সরি মাসুদ। এছাড়া আমার কোন উপায় ছিলো না। আমি খুব কষ্টে ছিলাম মা, বুঝাতে পারব না মা এই কষ্ট কতটা তীব্র। এই কষ্ট সহ্য করার সামর্থ আমার নেই মা। মাফ করো তোমরা আমাকে। আমি বেঁচে থাকলে আরো জ্বলতে হতো তোমাদের, অনেক জ্বালিয়েছি, আর জ্বালাবো না তোমাদের।

আর কেনো মরছি, কার জন্য মরছি, কিসের জন্য মরছি এটা না হয় ঘোলাটেই থাকুক। আমিও প্রকৃতির মতই রহস্য রাখতে পছন্দ করি কিংবা রাখতে হয়।
আল-বিদা বলতে বলতে হাঁপিয়ে উঠেছি, আপনাদেরকেও বিরক্ত করেছি। কথা দিচ্ছি আর কখনো বিরক্ত করবো না। আসি এবার, আল্লাহ হাফেজ। পরের জন্মে দেখা হবে।

হ্যাঁ এই পোস্ট যখন নেটিজেনরা পড়ছিলেন, তখন নিশ্চুই অন্তর রাজের লাশে হয়তো পচন ধরেছিল। ১৯ ফেব্রুয়ারি অন্তর রাজের মৃত্যু হয়।

২৯ বছর ধর্ম’তত্ত্ব নিয়ে গবেষণা’র পর ইসলাম গ্রহণ জবি শিক্ষিকা’র

0

২৯ বছর ধর্মতত্ত্ব নিয়ে গবেষণার পর জবি শিক্ষিকার ইসলাম গ্রহণ
তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব (কম্পারেটিভ রিলিজিয়ন) নিয়ে দীর্ঘ ২৯ বছর গবেষণার পর ইসলাম গ্রহণ করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রিতু কুন্ডু।

জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১৬ মার্চ তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিওতে তার ইসলাম ধর্ম গ্রহণের দীর্ঘ যাত্রার কথা জানান তিনি। তবে ইসলাম ধর্মে প্রবেশের পরে নাম পরিবর্তনের বিষয়ে তিনি কিছু জানাতে রাজি হননি।

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ ২৯ বছরের বিভিন্ন ধর্ম নিয়ে পড়াশোনা ও জ্ঞান-বুদ্ধির আলোকে আমি ইসলামের বিষয়ে এক মাসব্যাপী পড়াশোনা শুরু করি। ১৬ দিনের মধ্যেই আমি সত্য উপলব্ধি করি এবং (২০১৭ সালের মার্চে) ইসলাম গ্রহণ করি।

‌‘তখন থেকে আমি হিজাব পরিধান ও নামাজ আদায় শুরু করি। এছাড়াও এই দীর্ঘ ২৯ বছর পর্যন্ত আমি নিজের পরিবার, সমাজ ও মানুষের আচার-ব্যবহার পর্যবেক্ষণ করি। এ দীর্ঘ সময় হিন্দু ধর্মসহ প্রধান সব ধর্মের গ্রন্থাবলি পাঠ করেছি। জাপানেও এ বিষযে পড়াশোনা করি। ২০১২ সালে এসে বুঝতে পারি, এগুলো মানুষের রচিত বই।’

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ ২৯ বছর পর আমি পবিত্র কোরআনের বাংলা অনুবাদ পাঠ করি। এর পাশাপাশি আমি হাদিসও পাঠ করি। মহান আল্লাহর নির্দেশনার কারণ ও বিধি-নিষেধ নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করি। কখনো এ বিষয়ে স্বপ্নও দেখেছি। তা হয়ত অনেকের অবিশ্বাস মনে হবে।’

কবে থেকে কীভাবে যাত্রা শুরু, এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘যাত্রা আসলে খুব অল্পদিনের বা অল্প সময়ের নয়, খুব ছোট থেকেই হয়ত আল্লাহ আমাকে ইসলাম কবুলের জন্য তৈরি করেছিলেন। ছোট থেকে আজ পর্যন্ত জীবনের প্রতিটি ঘটনা, শিক্ষা, প্রতিবন্ধকতা আর সমাজের অসংগতি আমাকে ধীরে ধীরে ইসলামের পথে পরিচালিত করেছে।’

পরিবার ও বন্ধু-বান্ধবের বিরোধিতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার পরিবার ও বন্ধুরা আমাকে এমনটি করতে মানা করে। কিন্তু আমি তাদের কথায় প্রতিবাদ করে বলি, আমি বুঝেছি, আল্লাহ কেন আমাদেরকে বিভিন্ন নির্দেশ দিয়েছেন। আমি রাসুল (সা.)-কে ভালোবাসতে পেরেছি। আমি বুঝতে পেরেছি, তিনি কেন আমাদের এত সুন্দর সুন্দর উপদেশ ও নির্দেশনা দিয়েছেন। সুতরাং আজ থেকে নিজেকে তার অনুগত হিসেবে স্বীকার করলাম।’

রিতু কুন্ড বলেন, ইসলামের যে বিষয়গুলো আমাকে সবচেয়ে বেশি আনন্দিত করে, তা হলো ইসলামের প্রতিটি বিধান একজন মানুষের জীবনকে সবচেয়ে সুন্দরতম জীবনে রূপান্তরিত করে দিতে থাকে। এক আল্লাহর ওপর বিশ্বাস, আত্মসমর্পণ এক অপূর্ব মানসিক প্রশান্তির খবর দেয়।

একজন সৃষ্টি যে কোনো অবস্থান থেকে যে কোনো পরিস্থিতিতে তার স্রষ্টার সঙ্গে অর্থাৎ আল্লাহর সঙ্গে আত্মিকভাবে যুক্ত হতে পারে, কারো মাধ্যম বা বিশেষ অনুষ্ঠানের প্রয়োজন পড়ে না। এখানে ধনী-গরিব, উঁচু-নিচু জাতভেদের কোনো অবস্থান নেই। আমরা সর্বদা যে সাম্যবাদী সমাজের কথা বলি ইসলামি জীবন সে সাম্যবাদেরই শিক্ষা দেয়।’

রিতু কুন্ডু নীলফামারী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক ও নীলফামারী সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের লোকপ্রশাসন বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।

২০১৩ সালে তিনি রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ পান। ২০১৭ সাল থেকে তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগে অধ্যাপনা করছেন।

সবা’র আগে দেশ, আমি টেস্ট খেল’তে প্রস্তত

0

সিদ্ধান্তটা খেলোয়াড়দের ওপরেই ছেড়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। যে কেউ চাইলে যেকোনো লিগে খেলতে পারবে, এমনকি জাতীয় দলের খেলা থাকলেও- সোমবার পড়ন্ত বিকেলে বিসিবি কার্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে এ কথাই বলেছিলেন সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

তবে সেই পথে হাঁটলেন না বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমান। আসন্ন আইপিএলের সময় বাংলাদেশ দলের খেলা থাকলে তিনি বাংলাদেশের জার্সি গায়েই খেলবেন। তিনি সাফ বলে দিয়েছেন, সবার আগে দেশের খেলা।
মঙ্গলবার বিসিবি একাডেমিতে সংবাদমাধ্যমে মোস্তাফিজ বলেছেন, ‘সবার আগে আমার দেশের খেলা। শ্রীলঙ্কা (সফরের) টেস্টে যদি থাকি, তাহলে আমি টেস্ট খেলব। যদি না থাকি তাহলে বিসিবি তো আমাকে বলবে যে, আমি নাই। তখন আমি বিসিবিকে বলব (আইপিএল খেলার কথা), বিসিবি যদি আমাকে ছাড়ে, তাহলে আমি আইপিএলে খেলব। দেশপ্রেম আগে।’

২৫ বছর বয়সী এ বাঁহাতি পেসারের সোজাসাপ্টা কথা, তিনি সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার দিয়ে রাখবেন বিসিবির কোর্টেই। ক্রিকেট বোর্ড তাকে যেটা বলবে, সেটাই করবেন তিনি। বিসিবি চাইলে শ্রীলঙ্কা সফরে অবশ্যই যাবেন তিনি।

মোস্তাফিজের ভাষ্য, ‘যদি টেস্টে আমাকে রাখে, আমি টেস্ট খেলব। যদি না রাখে তাহলে বিসিবি জানে। বিসিবি যেটা বলবে আমি সেটা করব। বিসিবি চাইলে (শ্রীলঙ্কা যেতে) রাজি না হওয়ার তো কিছু নাই। দেশের খেলা বা আইপিএলে খেলা- এ বিষয়ে অন্য কোন চাপ নেই।’

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) হওয়া আইপিএলের নিলামে বাংলাদেশ থেকে সুযোগ পেয়েছেন সাকিব আল হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমান। সাকিবকে ৩ কোটি ২০ লাখ রুপিতে কলকাতা নাইট রাইডার্স এবং মোস্তাফিজকে ১ কোটি রুপিতে কিনে নিয়েছে রাজস্থান রয়্যালস।
সাকিব আল হাসান এরই মধ্যে আইপিএলের জন্য জাতীয় দল থেকে ছুটি চেয়ে নিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, সে সময় শ্রীলঙ্কা সফরের টেস্ট সিরিজ থাকলে খেলতে পারবেন না। সাকিবের এমন সিদ্ধান্তের পর সবার আগ্রহ ছিল মোস্তাফিজের ওপর। আজ মোস্তাফিজ জানালেন টেস্ট সিরিজের দলে তিনি থাকলে, আগে টেস্টই খেলবেন।

অফিসার পদে চা’কুরী দিচ্ছে আট ব্যাংক, নি’য়োগ ২৪৭৮ জন

0

সমন্বিত ৮ ব্যাংক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ‘অফিসার’ পদে ২৪৭৮ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ১১ মার্চ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। আগ্রহীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম-

১। সোনালী ব্যাংক ৭৫৮ জন।

২। জনতা ব্যাংক ১২১ জন।

৩। রূপালী ব্যাংক ৬৯ জন।

৪।  বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ০৩ জন।

৫। আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক ৫৭ জন।

৬। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ১৪৪০ জন।

৭।  রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ৩ জন।

৮। বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন ২৭ জন।

পদের নাম: অফিসার

আবেদন যোগ্যতা

১। যেকোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর/স্নাতক/স্নাতক (সম্মান)।

২। এসএসসি/সমমান এবং তদূর্ধ্ব পর্যায়ে কমপক্ষে দুটি প্রথম বিভাগ/শ্রেণি/সমমান।

৩। তৃতীয় বিভাগ/শ্রেণি গ্রহণযোগ্য নয়।

৪। বয়স: ০১ মার্চ ২০২০ তারিখে অনূর্ধ্ব ৩০ বছর। কোটায় আবেদন করলে সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

বেতন: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা

আবেদন যেভাবে

আগ্রহীরা বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট erecruitment.bb.org.bd এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ তারিখ

১১ মার্চ ২০২১পর্যন্ত

৪২ লাখ টাকায় গাড়ি কিনলেন সিয়াম

0

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা সিয়াম আহমেদ। হাতে আছে তার বেশ কিছু সিনেমা। বর্তমানে শুটিং করছেন ‘বঙ্গবন্ধু’ সিনেমায়। মুম্বাইয়ে এ সিনেমার প্রথম লটের শুটিং শেষ করে ফিরেছেন তিনি গতকাল সোমবার।

দেশে ফিরেই ঘরে এনেছেন লাল টুকটুকে এক গাড়ি। স্ত্রী শাম্মা রুশাফি অবন্তীকে সঙ্গে নিয়ে সেই গাড়ির ছবি তুলে প্রকাশ করেছেন সোশাল মিডিয়ায়। গাড়ি কেনার আনন্দ ভাগ করে নিয়েছেন ভক্তদের সঙ্গে।
নতুন গাড়ির ছবি দিয়ে সিয়াম ক্যাপশনে লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, ভালোবাসাকে ঘরে স্বাগতম।’ বোঝাই যাচ্ছে এই লাল গাড়িটির প্রতি তার দুর্বলতার গভীরতা বেশ।

প্রিয় অভিনেতার লাল রঙের গাড়িটি মনে ধরেছে ভক্তদেরও। সবাই শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। সিয়ামের অনেক সহকর্মীও গাড়িটি ‘চমৎকার’ বলে অভিনন্দন জানিয়েছেন। সেইসঙ্গে অনেকে এ গাড়িতে দূরে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার ইচ্ছেও প্রকাশ করেছেন।
সিয়াম জানান, তার নতুন গাড়ির মডেলটি হলো ‘মাজদা এমএক্স ৫’। তিনি এটি কিনেছেন ‘মাভেন অটোস বাংলাদেশ’ নামক গাড়ির শোরুম থেকে। বাংলাদেশে মাজদা এমএক্স ৫ মডেলের বাজার মূল্য বর্তমানে ৪২ লাখ টাকা। কাগজপত্রের জন্য আরও প্রায় দুই লাখ টাকা খরচ পড়েছে।

প্রসঙ্গত, দীপংকর দীপন পরিচালিত ‘অপারেশন সুন্দরবন’ নামে একটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন সিয়াম। এ ছবির টিজার প্রকাশ হবে আজ রাতে।

আমাদের প্রথম ‘শিশুদের সতর্কতা’ হিসাবে গিনিস বুকে নাম লেখেনি নাসির হোসাইন

0

আমাদের প্রথম শিশু সতর্কতা হিসাবে গিনিদের বুকে নাম লিখানো হয়েছে না, আমরা শীতকালীন ব্যাটারি নাসির হুসাইন। ভাবনা করা উচিত নাডিয়া আইডিয়া পর্যবেক্ষণের ঘটনাটি এই ক্রিকেটারের সাথে দেখা হয়েছে গ